০৩/০৫/২০২৫ইং ক্লাস (শনিবার)

Rony Hossain

 




০৩/০৫/২০২৫ইং (শনিবারক্লাসের সংক্ষিপ্ত বিবরণী:

👉 ১ম ক্লাস
বিষয়: হিন্দু আইন
শিক্ষকআরিফ স্যার

 👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
# দত্তক কি?
# হিন্দু আইনে দত্তক নেওয়ার উদ্দেশ্য কয়টি ও কি কি?
# দত্তক গ্রহণ করার ক্ষেত্রে বয়সের সীমা কত?
# বিধবার দত্তক গ্রহণের ক্ষমতা রয়েছে কিনা?
# কে দত্তক দিতে পারে?
# কাকে দত্তক নেওয়া যায়?

দত্তক কি: অন্যের সন্তানকে নিজের সন্তান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাকে দত্তক বলে।

দত্তক নেওয়ার উদ্দেশ্য: দত্তক নেওয়ার উদ্দেশ্য:২টি। যথাঃ
১। আধ্যাতিক কল্যাণ নিশ্চিত করা।
২। উত্তরাধীকারী লাভ করা।

কে দত্তক গ্রহণ করতে পারবে: দত্তক গ্রহণ করতে পারেন পুরুষ, তবে কোন নারী স্বামীর অনুমতিক্রমে দত্তক গ্রহণ করতে পারবেন।

দত্তক গ্রহণের ক্ষেত্রে বয়সের সীমা:
মিতাক্ষরা মতবাদ অনুযায়ী ১৬ বছর বয়স হলে একজন ব্যক্তি দত্তক গ্রহণ করতে পারে।
দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে 
১৫ বছর বয়স হলে একজন ব্যক্তি দত্তক গ্রহণ করতে পারে।

দত্তক গ্রহনের ক্ষেত্রে অনুমতি: স্বামীর দত্তক গ্রহণে স্ত্রীর অনুমতির প্রয়োজন নেই। তবে স্ত্রীর দত্তক গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বামীর অনুমতি লাগবে। 

বিধবার দত্তক গ্রহণের ক্ষমতা: হিন্দু আইন অনুযায়ী কোন বিধবা দত্তক গ্রহণ করতে পারে না। তবে কিছু কিছু পন্ডিতদের মতে স্বামী জীবিত অবস্থায় দত্তক গ্রহণের অনুমতি দিয়ে গেলে সেক্ষেত্রে হিন্দু বিধবা দত্তক গ্রহণ করতে পারে। আবার কিছু পন্ডিতগণ মনে করেন স্বামী অনুমতি দিয়ে গেলেও বিধবা দত্তক গ্রহণ করতে পারবেন না।

কে দত্তক দিতে পারে?
শুধুমাত্র পিতা-মাতা । পিতা-মাতা ছাড়া অন্য কেউ দত্তক দিতে পারে না।

কাকে দত্তক নেওয়া যায়?
১। একই বর্ণের বা উপবর্ণের হতে হবে।
২। দত্তক গ্রহণকারীর সাথে দত্তক প্রদানকারীর বৈবাহিক সম্পর্ক আইনত বৈধ হতে হবে।
৩। একমাত্র সন্তান বা অনাথকে দত্তক নেওয়া যায় না। 

দত্তক নেওয়ার পর দত্তক গ্রহীতার সন্তান জন্ম গ্রহণ করলেও দত্তককৃত সন্তান উত্তরাধীকারী থেকে বঞ্চিত হবে না। 

(আগামী ক্লাসে স্ত্রীধন/ নারী সম্পত্তি ও সেবায়েত/দেবোত্তর সম্পত্তি পড়াবেন)



 👉  ক্লাস

বিষয়আয়কর আইন (পড়িয়েছেন বিষয়ের বাহিরে)
শিক্ষকবুলবুল স্যার

👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:

# ফ্যাক্ট/ঘটনা/বিষয় কি? 
ফ্যাক্ট হতে হলে তাতে ২টি বিষয় থাকতে হবে অথবা যে কোন ১টি বিষয় অবশ্যই থাকতে হবে। যথা:
১। ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য কোন বিষয় 
২। মানুষিক অনুভুতি 

# ফ্যাক্ট ইন ইস্যু কি?
ফ্যাক্ট ইন ইস্যু হল কোন ঘটনার বিচার্য বিষয়। 

শুধুমাত্র এই 2টি টপিক নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।







👉 ৩য় ক্লাস: 
বিষয়: মুসলিম আইন
শিক্ষক: মুফতি আল-আমিন স্যার

 👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:

#সুপ্রিম কোর্ট, জর্জ কোর্ট এগুলোর গঠন বা কাজ নিয়ে আলোচনা করেছেন। 

আগামী ক্লাসে হানাফী উত্তরাধীকারী আইনের সূত্র বা যাবুল ফুরুয বা কোরআনিক শেয়ারার কারা এবং তাদের অংশের জন্য সূত্রগুলো মুখস্ত করে আসতে বলেছেন। এখান থেকে স্যার অংক করতে দিবেন এবং সূত্রও জিজ্ঞেস করবেন। 

আপনাদের সুবিধার্থে সূত্রগুলো নিচে আবার দিলাম:

 # জাবুল ফুরুজ বা কোরানিক শেয়ারার ১২ জন

১। মৃত ব্যক্তির স্বামী 

  • সন্তান থাকলে / অংশ
  • সন্তান না থাকলে / অংশ

২। মৃত ব্যক্তির স্ত্রী

  • সন্তান থাকলে / অংশ
  • সন্তান না থাকলে / অংশ

৩। মৃত ব্যক্তির মা

  • মৃত ব্যক্তির সন্তান বা ভাই বোন - জন থাকলে মা পাবে / অংশ
  • সন্তান যদি না থাকেভাই-বোন ১জন  থাকলে মা পাবে / অংশ
  • আর যদি মৃত ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী থাকে এবং মা-বাবা থাকে তাহলে স্বামী বা স্ত্রীকে দেওয়ার পর বাকী সম্পত্তির / অংশ পাবে মা। 

৪। মৃত ব্যক্তির বাবা

  • ছেলেছেলের ছেলে থাকলে বাবা পাবে / অংশ
  • মেয়ে এবং ছেলের মেয়ে থাকলে এবং ছেলেছেলের ছেলে না থাকলে বাবা পাবে / অংশঅবশিষ্ট।
  • ছেলের মেয়ে বা অন্য ওয়ারিশ না থাকলে সম্পূর্ণ অংশ বাবা পাবে।

৫। মৃত ব্যক্তির মেয়ে

  • মৃত ব্যক্তির মেয়ে ১জন থাকলে মেয়ে পাবে / অংশ
  • মেয়ে  বা ততোধিক থাকলে পাবে / অংশ
  • সাথে ছেলে থাকলে ২টাকা১টাকা হিসেবে পাবে। 

৬। মৃত ব্যক্তির ছেলের মেয়ে

  • মৃত ব্যক্তির ছেলের মেয়ে ১জন থাকলে পাবে / অংশ
  • মেয়ে  বা ততোধিক থাকলে পাবে / অংশ
  • নিজের মেয়ে ১জন থাকলে ছেলের মেয়ে পাবে / অংশ
  • মৃতব্যক্তির নিজের মেয়ে েএকাধিক থাকলে ছেলের মেয়ে বঞ্চিত। 
  • তবে তার সাথে যদি তার ভাই থাকে তবেছেলে থাকলে ২টাকা১টাকা হিসেবে পাবে। 

৭। মৃত ব্যক্তির আপন বোন

  • মৃত ব্যক্তির আপন বোন ১জন থাকলে পাবে / অংশ
  • মৃত ব্যক্তির বোন  বা ততোধিক থাকলে পাবে / অংশ
  • নিজের মেয়ে ১জন থাকলে ছেলের মেয়ে পাবে / অংশ
  • মৃতব্যক্তির নিজের মেয়ে বা ছেলের মেয়ে ১জন থাকলে আপন বোন / অংশ পাবে।
  • মৃতব্যক্তির মেয়ে বা ছেলের মেয়ে একাধিক হলে আপন বোন পাবে নাতবে অন্য ওয়ারিশ না থাকলে পাবে।
  • আপন বোনের সাথে আপন ভাই থাকে তবে২টাকা১টাকা হিসেবে পাবে। 
  • দাদাবাবাছেলেছেলের ছেলে থাকলে আপন বোন বঞ্চিত হবে।

৮। মৃত ব্যক্তির মা শরীক ভাই

  • ১জন থাকলে পাবে / অংশ
  •  বা ততোধিক থাকলে পাবে / অংশ

৯। মৃত ব্যক্তির মা শরীক বোন

  • ১জন থাকলে পাবে / অংশ
  •  বা ততোধিক থাকলে পাবে / অংশ

১০। মৃত ব্যক্তির বাপ শরীক বোন

  • মৃত ব্যক্তির আপন বোন না থাকলে এবং বাপ শরীক বোন ১জন থাকলে পাবে / অংশ
  • মৃত ব্যক্তির আপন বোন না থাকলে এবং বাপ শরীক বোন  বা ততোধিক থাকলে পাবে / অংশ
  • আপন বোন ১জন থাকলে বাপ শরীক বোন পাবে / অংশ
  • আপন বোন একাধিক থাকলে বাপ শরীক বোন বঞ্চিত। তবেসাথে ভাই থাকলে ২টাকা১টাকা হিসেবে পাবে।
  • মৃত ব্যক্তির নিজের মেয়েছেলে মেয়ে থাকলে তারা নেওয়ার পর অন্য ওয়ারিশ না থাকলে অবশিষ্ট সম্পত্তি বাপ শরীক বোন পাবে।
  • দাদাবাবাছেলেছেলের ছেলে থাকলে আপন বোন বঞ্চিত হবে।

১১। মৃত ব্যক্তির দাদা

  • মৃত ব্যক্তির বাবা না থাকলে মৃত ব্যক্তির দাদা বাবার অংশ পাবে। 
  • মৃত ব্যক্তির বাবা জীবিত থাকলে মৃতব্যক্তির দাদা বঞ্চিত হবে।

১২। মৃত ব্যক্তির নানীদাদী (যৌথ)

  • মৃত ব্যক্তির দাদীনানী  এক বা একাধিক যাই থাকুক না কেন সবাই মিলে / অংশ পাবে।
  • মৃত ব্যক্তির মা থাকলে দাদিনানী বঞ্চিত হবে।
  • মৃত ব্যক্তির বাবা থাকলে দাদি বঞ্চিত হবেতবে নানী / অংশ পাবে।


 👉 ৪র্থ ক্লাস
বিষয়: শ্রম আইন
শিক্ষক: আকরাম স্যার

 👇 আলোচনার বিষয় বস্তু

#কর্মঘন্টা ও ছুটি (ধারা-১০০ হতে ১১৯)

কর্মঘন্টা ও ছুটি (নবম অধ্যায়)
ধারা-১০০: দৈনিক কর্মঘন্টা
ধারা-১০১: বিশ্রাম ও আহারের জন্য বিরতি
ধারা-১০২: সাপ্তাহিক কর্মঘন্টা
ধারা-১০৩: সাপ্তাহিক ছুটি
ধারা-১০৪: ক্ষতিপূরণমূলক সাপ্তাহিক ছুটি
ধারা-১০৫: কর্মঘন্টা সম্প্রসারণ
ধারা-১০৬: নৈশপালা শ্রমিকদের সাপ্তাহিক ছুটি
ধারা-১০৯: নারী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে কর্মঘন্টা

(আজকের ক্লাসে পড়িয়েছেন ১১১-১১৯)

ধারা-১১১: প্রাপ্ত বয়স্ক শ্রমিকের কাজের সময়ের নোটিশ এবং উহার প্রস্তুতি
ধারা-১১২: পরিবহন শ্রমিকের বয়সসীমা (ড্রাইবার: ২১ এবং অন্যান: ১৮ বছর)
ধারা-১১৩: নোটিশ এবং রেজিষ্টারের সহিত কর্মঘন্টা মিল থাকা।
ধারা-১১৪: দোকান বন্ধ
ধারা-১১৫: নৈমিত্তিক ছুটি (সর্বোচ্চ ১০ দিন)
ধারা-১১৬: পীড়া ছুটি (সর্বোচ্চ ১৪ দিন)
ধারা-১১৭: মজুরীসহ বাৎসরিক ছুটি (প্রতি ১৮ কর্মদিবসের জন্য ১ দিন)
ধারা-১১৮: উৎসব ছুটি (১১ দিন)
ধারা-১১৯: ছুটি অথবা বন্ধের সময়ের মজুরী হিসাব ও প্রদান