০২/০৫/২০২৫ইং ক্লাস (শুক্রবার)

Rony Hossain

 


০২/০৫/২০২৫ইং (শুক্রবারক্লাসের সংক্ষিপ্ত বিবরণী:

👉 ১ম ক্লাস
বিষয়:  বৃটিশ সংবিধান
শিক্ষক: শ্রাবণী ম্যাম

 👇 আলোচনার বিষয় বস্তু: 

# বৃটিশ মন্ত্রীসভার ক্ষমতা ও কার্যাবলী নিয়ে আলোচনা করেছেন। 
(প্যারামাউন্ট গাইডের পৃঃ 700)


👉 ২য় ক্লাস
বিষয়সংবিধান
শিক্ষকশরীফ স্যার

 👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:

রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও রাষ্ট্রপতির অপসারণ নিয়ে আলোচনা করেছেন। 

রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সমূহ:
১। মৃত্যুদন্ড মওকুফ
২। কূটনৈতিক চুক্তি
৩। সংসদ ভেঙে দেওয়া
৪। যুদ্ধ ঘোষণা
৫। জরুরী অবস্থা ঘোষণা

রাষ্ট্রপতির অপসারণ:
১। মস্তিস্কের বিকৃতি ঘটলে
২। শারীরিকভাবে  অসুস্থ হয়ে দায়িত্বপালনের অনুপযোগী হয়ে পড়লে
৩। সংসদের দুই-তৃতীয়াংশের অসন্তোষ ভোটে

(আগামী ক্লাসে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা হবে)



👉 ৩য় ক্লাস

বিষয়সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
শিক্ষক: ফেরদৌসী ম্যাম

 👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:

# সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১নং আইন এবং এটি দেওয়ানী প্রকৃতির মূল আইন।
# প্রকাশকালঃ ০৭/০২/১৮৭৭
# কার্যকর ঃ ০১/০৫/১৮৭৭
# প্রণেতাঃ স্যার গোয়াইট লিষ্ট টোকেন্স
# এতে ৩টি খন্ড, ১০টি অধ্যায় এবং ৫৭টি ধারা রয়েছে।
# বাতিল ধারাঃ ৮টি (২, ৪৫-৫১)
# উৎপত্তিঃ ইকুইটি আইন হতে।
# সর্বশেষ সংশোধনঃ ২০০৪ সালের ২৭নং আইন দ্বারা।
# সংশোধন কার্যকর হয়ঃ ০১/০৭/২০০৫সালে।

ধারা-১: সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, আওতা এবং আরম্ভ।
ধারা-২:বাতিল (এর পরিবর্তে ২১ (ক) ধারা সংযোজন করা হয়)
ধারা-৩: সংজ্ঞা (ব্যাখ্যা, বাধ্যবধাকতা), জিম্মা ও জিম্মাদার 
ধারা-৪: সংরক্ষণ
ধারা-৫: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ভাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে। 
১) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তি দখল গ্রহণ ও অর্পনের মাধ্যমে। (ধারা 8-11)
২) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মাধ্যমে (ধারাঃ 12-30)
৩) নিরোধক মূলক প্রতিকার (ধারাঃ 6, 52-54, 57)
৪) পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় ও ঘোষণামূলক ডিক্রির মাধ্যমে (ধারাঃ 31-43)
৫) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে (ধারাঃ 44)

ধারা-৬: নিরোধক মূলক প্রতিকার
ধারা-৭: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন দন্ডমূলক প্রতিকার প্রদান করে না। (ফৌজদারী আইনের মাধ্যমে শাস্তি প্রদান করা যাবে না)
ধারা-৮: সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি স্বত্ত্বসহ দখল পুনরুদ্ধার 
১। বেদখল হওয়ার ১২ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
২। ৮ ধারার বিধান অনুসারে প্রতিকার একটি স্থায়ী ব্যবস্থা।
৩। এ মামলার কোর্ট ফি মূল্যানূপাতিক হারে হবে (সম্পত্তির মূল্যের ২% এবং সর্বোচ্চ ৪০ হাজার)
৪। ৮ ধারার সাথে ৪২ ধারা যোগ করে মামলা করতে হবে। শুধু ৮ ধারায় মামলা করা যায় না। 
৫। সরকার সহ সকলের বিরুদ্ধে মামলা করা যায়।
৬। এর মূল বিষয়বস্ত হলো মালিকানা। 
৭। ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিও ও আপিল করা যায়। (যেহেতু এটা মূল ডিক্রি)
৮। সম্পত্তির মালিকানা প্রমান করতে হবে স্বাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারা অনুযায়ী।
৯। এ ধারা অনুযায়ী স্থাপনা ভাঙ্গার আদেশ দেওয়া যাবে। 
১০। একদিনের জন্য হলেও দখলে থাকতে হবে ১২ বছরের মধ্যে।

কোর্ট ফি ২ প্রকার । 
১। মূল্যানুপাতিক। (সাথে ১৫% ভ্যাট)
২। নির্ধারিত। 

আজকের ক্লাসে যা পড়িয়েছেন: 

ধারা-৯ঃ  সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার 
১। স্থাবর সম্পত্তি দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু।
২। ঐ সম্পত্তিতে বাদী ৬ মাস পূর্বে দখলে ছিল।
৩। ঐ সম্পত্তি থেকে তাকে তার অসম্মত বা বেআইনিভাবে দখলচ্যুত করা হয়েছে।
৪। বিরুদ্ধপক্ষ সরকার না বা সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না। 
৫। বেদখলের ৬ মাসের মধ্যে মোকাদ্দমা দায়ের করা হয়েছে।
৬। ৯ ধারার মোকাদ্দমার প্রতিকার অস্থায়ী ও সংক্ষিপ্ত।
৭। দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে মামলা দায়ের করা যায়।
৮। ৯ ধারা মোকাদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল ও রিভিও করা যাবে না, তবে রিভিশন করতে হবে হাইকোর্টে।
৯। ৯ ধারায় ডিক্রি জারী করা হয় দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ ও বিধি ৩৫ মতে।
১০। ৯ ধারার মামলার কোর্ট ফি মূল্যানূপাতিকের অর্ধেক। 
১১। ৯ ধারার মোকাদ্দমায় আদালত স্থাপনা ভাঙিয়া আদেশ দিবেন না।
১২। ৯ ধারায় বাদী নালিশী সম্পত্তির দখল কিভাবে পেয়েছে সে প্রশ্নেও যাওয়া যাবে না।
১৩। শুধুমাত্র দখল সংক্রান্ত বিষয়ে ৯ ধারায় প্রতিকার দেওয়া হয়।
১৪। আদালত ৯ ধারায় স্বত্ত্বের বিষয়টি বিবেচনায় আনতে পারে না। 
১৫।  ৯ ধারার মোকাদ্দমার মূল বিষয় হল দখল/বেদখল।



👉 ৪র্থ ক্লাস
বিষয়:  ইকুইটি ও ট্রাস্ট আইন
শিক্ষক: শাম্মী ম্যাম

 👇 আলোচনার বিষয় বস্তু: 

# ইকুইটির ম্যাগজিম বলতে কি বুঝয়ায়? কয়টি ও কিকি?
# কখন বন্ধক উদ্ধারের অবশান বা পরিসমাপ্তি ঘটে? 

# ইকুইটির ১২টি নীতিমালা বা ম্যাক্সিম সমূহ:

১। ন্যায়পরায়নতা প্রতিকারবিহীন অবস্থায় কোন অন্যায়কে অব্যহতি দিবে না।
২। ন্যায়পরায়নতা আইনকে অনুসরন করে
৩। ন্যায়পরায়নতা বিচার প্রার্থীকে অবশ্যই ন্যায়পরায়ন হতে হবে।
৪। ন্যায়পরায়নতা প্রার্থীকে অবশ্যই পরিস্কার হাতে আবেদন করতে হবে।
৫। বিলম্ব ন্যায়পরায়নতাকে ব্যর্থ করে।
৬। সমতাই ন্যায়পরায়নতা।
৭। বাহ্যিক আকৃতি অপেক্ষা ন্যায়পরায়নতা উদ্দেশ্যকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে।
৮। যাহা করা উচিত ছিল, তাহা করা হইয়াছে বলিয়া ন্যায়পরায়নতা মনে করে।
৯। দায়িত্ব পালনের ইচ্ছা আছে বলিয়াই ন্যায়পরায়নতা মনে করে।
১০। ন্যায়পরায়নতা ব্যক্তিকেন্দ্রিক কাজ করে।
১১। যেক্ষেত্রে ন্যায়পরায়নতা দাবি উভয়ের ক্ষেত্রে সমান সেক্ষেত্রে সময়ের দিক দিয়ে অগ্রাধিকার প্রাধান্য পাইবে।
১২। ন্যায়পরায়নতার ক্ষেত্রে সমতা যেখানে বিদ্যমান সেখানে আইন প্রবল।

# বন্ধক উদ্ধারের অবশান বা পরিসমাপ্তি: 
প্রধানত ৩ প্রকারে বন্ধক উদ্ধারে অবসান বা পরিসমাপ্তি ঘটে। যথা:
১। যখন বন্ধকদাতা বন্ধকি সম্পত্তির স্বত্ত্ব বন্ধক গ্রহিতার নিকট বরাবরে কবলা দ্বারা বিক্রি করে।
২। আইনগত কারনে বন্ধক উদ্ধার অধিকার অবসান ঘটতে পারে। বন্ধক গ্রহিতা যদি বন্ধক গ্রহণের অধিকার উত্তারাধিকার সূত্রে পায় তবে আইনের মাধ্যমে বন্ধক উদ্ধারের অধিকার নষ্ট হয়।
৩। যে তারিখে বন্ধক পরিশোধের কথা দলিলে লিপিবদ্ধ থাকে সেই তারিখের মধ্যে বন্ধকদাতা প্রাপ্য অর্থ সুদসহ পরিশোধ না করলে আদালতে মামলার মাধ্যমে টাকা উদ্ধার করতে পারে। 


👉 ৫ম ক্লাস
বিষয়: আইন বিজ্ঞান
শিক্ষক: আল-আমিন স্যার

 👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:

# অধীনস্ত আইনের বিকাশ কি? অধীনস্ত আইনের বিকাশের কারণ এবং অধীনস্ত আইন কিভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়?

অধীনস্ত আইনের বিকাশের কারণ:
১। দ্রুত আইন তৈরী
২। দক্ষতা
৩। কৌশলগত আইন তৈরী
৪। সমস্যার দ্রুত সমাধান
৫। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা।

অধীনস্ত আইনের নিয়ন্ত্রন:
১। সংসদ, সংবিধান দ্বারা
২। আদালত দ্বারা
৩। জনগণ দ্বারা

আস্থা শুধুই মেটলাইফ। বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ জীবন বীমাকারী প্রতিষ্ঠান।
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন: 01680000006, 01789000006