০৯/০৫/২০২৫ইং (শুক্রবার) ক্লাসের সংক্ষিপ্ত বিবরণী:
👉 ১ম ক্লাস
বিষয়: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
শিক্ষক: ফেরদৌসী ম্যাম
👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
২। আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ পাওয়া না গেলে।
৩। যখন ক্ষতি নির্ধারনের কোন মানদন্ড থাকে না।
৪। যখন কোন আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভবনা থাকে না।
২। যে চুক্তি পালনের বিষয় ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।
৩। যে চুক্তির শর্তাবলী আদালত নির্ভরতার সাথে যুক্তিযুক্তভাবে নির্ধারণ করতে পারে না।
৪। যে চুক্তি প্রকৃতির কারণেই বাতিলযোগ্য।
৫। বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতার বর্হিভুত চুক্তি।
৬। যে চুক্তি পালনে ৩ বছরের বেশি সময় লাগে।
৭। জিম্মাদার কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি।
৮। যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবার পূর্বে তার বিষয়বস্তু বিলুপ্ত হয়েছে।
👉 ২য় ক্লাস
বিষয়: ট্রাস্ট আইন
শিক্ষক: শাম্মী ম্যাম
👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
# ট্রাষ্ট কি? ট্রাষ্টের সংজ্ঞা। একটি ট্রাষ্টে কয়টি পক্ষ থাকে?
# বিভিন্ন প্রকার ট্রাষ্টের বর্ণনা দাও।
একটি ট্রাষ্টে তিনটি পক্ষ থাকে। যথাঃ
১। ট্রাষ্ট কারী
২। ট্রাষ্টি
৩। লাভ ভোগী।
বিভিন্ন প্রকার ট্রাষ্টের বর্ণনাঃ
১। ব্যক্তিগত ট্রাষ্ট: কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির কল্যাণের জন্য যে ট্রাষ্ট সৃষ্টি করা হয় তাকে ব্যক্তিগত ট্রাষ্ট বলে।
২। প্রকাশিত ট্রাষ্ট: যে ট্রাষ্ট সৃষ্টিতে সকল বিষয় প্রকাশ্যে ব্যক্ত করা হয় তাকে প্রকাশিত ট্রাষ্ট বলে।
৩। অপ্রকাশিত ট্রাষ্ট: যে ট্রাষ্ট সৃষ্টিতে এর সকল বিষয় প্রকাশ্যভাবে ব্যক্ত করা হয় না তাকে অপ্রকাশিত ট্রাষ্ট বলে।
৪। সম্পাদিত ট্রাষ্ট : যে ট্রাষ্ট পরিপূর্ণভাবে ট্রাষ্ট কারী সম্পাদিত করে দিয়েছে।
৫। সম্পাদিতব্য ট্রাষ্ট : ট্রাষ্ট সৃষ্টির সময় করনীয় কোন কিছু বাদ থেকে গেলে তাকে সম্পাদিতব্য ট্রাষ্ট বলে।
৬। দাবত্য ট্রাষ্ট: দাতব্য ট্রাষ্ট অনেক আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রন হয়। যখন কোন দাতব্য উদ্দেশ্যে কোন ট্রাষ্ট গঠন করা হয় তখন তাকে দাবত্য দাবত্য ট্রাষ্ট বলে।
৭। সাধারণ ট্রাষ্ট: সাধারণ জনের জন্য যে ট্রাষ্ট গঠন করা হয় তাকে সাধারণ ট্রাষ্ট বলা হয়।
৮। গঠনমূলক ট্রাষ্ট: ন্যায়পর আদালতে ন্যায়পরানয়তার ভিত্তিতে যে ট্রাষ্ট গঠন করা হয় তাকে গঠনমূলক ট্রাষ্ট বলে।
কখন কিভাবে ট্রাষ্ট বাতিল বা বিলুপ্ত করা যায়ঃ
ট্রাস্ট (Trust) বা ট্রাস্টি বোর্ড বাতিল হওয়ার কিছু নির্দিষ্ট কারণ থাকতে পারে, যা সাধারণত দেশটির ট্রাস্ট আইন ও সংবিধি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বললে, "The Trusts Act, 1882" এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী ট্রাস্ট বাতিল বা অকার্যকর ঘোষণার কারণগুলো হতে পারে নিচের মতো:
✅ ট্রাস্ট বাতিল হওয়ার সাধারণ কারণসমূহ:
-
ট্রাস্টের উদ্দেশ্য অবৈধ হলে
-
যদি ট্রাস্টের উদ্দেশ্য আইনবিরোধী, নৈতিকতার পরিপন্থী, বা জনস্বার্থের বিরুদ্ধে হয়।
-
-
ট্রাস্টের উদ্দেশ্য অসম্ভব বা অপূর্ণযোগ্য হলে
-
যেমন, কোনো অসম্ভব বা অবাস্তব লক্ষ্য পূরণের জন্য ট্রাস্ট গঠিত হলে।
-
-
ট্রাস্ট গঠনের প্রক্রিয়ায় প্রতারণা বা অসততা থাকলে
-
যদি ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠার সময় জালিয়াতি, প্রতারণা, বা ভুল তথ্য প্রদান করা হয়।
-
-
ট্রাস্ট সম্পত্তি ধ্বংস বা বিলুপ্ত হলে
-
যদি ট্রাস্টে নির্ধারিত সম্পত্তি আর না থাকে বা ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে ট্রাস্টের কার্যকারিতা থাকে না।
-
-
ট্রাস্টের উদ্দেশ্য ইতিমধ্যে পূর্ণ হলে
-
যদি ট্রাস্টের উদ্দেশ্য পূরণ হয়ে যায় বা তার আর কোনো কার্যকারিতা না থাকে।
-
-
ট্রাস্টি/ব্যবস্থাপনা কমিটির অনিয়ম বা দায়িত্বে ব্যর্থতা
-
যদি ট্রাস্টিরা কর্তব্যে অবহেলা, অর্থের অপব্যবহার, স্বার্থের সংঘাত, বা অসদাচরণে লিপ্ত হন।
-
-
আদালতের আদেশে
-
সংশ্লিষ্ট পক্ষের আবেদনে আদালত যদি মনে করে যে ট্রাস্ট পরিচালনায় অনিয়ম হচ্ছে, তবে তা বাতিল করতে পারে।
-
-
ট্রাস্ট আইন লঙ্ঘন
-
ট্রাস্ট অ্যাক্টের শর্ত লঙ্ঘিত হলে বা নির্ধারিত বিধিবিধান অনুসরণ না করলে।
-
-
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্বারা বাতিল
-
যদি সরকার বা রেজিস্ট্রার কর্তৃপক্ষ মনে করেন যে ট্রাস্ট জনস্বার্থের পরিপন্থী হচ্ছে, তবে তারা পদক্ষেপ নিতে পারেন।
-
👉 ৩য় ক্লাস
বিষয়: সংবিধান
শিক্ষক: শরীফ স্যার
👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
প্রাধনমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা ও ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করেছেন।


