১১/০৪/২০২৫ইং (শুক্রবার) ক্লাসের সংক্ষিপ্ত বিবরণী:
👉 ১ম ক্লাস
বিষয়: বৃটিশ সংবিধান
শিক্ষক: শ্রাবণী ম্যাম
👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
# সাংবিধানিক সরকার একবার প্রতিষ্ঠিত হলে আইনের শাসন আপনা আপনিই নির্গত হবে।
(প্যারামাউন্ট গাইডের পৃঃ ৬৯৫)
১। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
২। জবাবদিহিতা
৩। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
৪। প্রতিশ্রুতি রক্ষা
এই পয়েন্টগুলো বিস্তারিত লিখাইছেন এবং আলোচনা করেছেন।
👉 ২য় ক্লাস
বিষয়: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
শিক্ষক: ফেরদৌসী ম্যাম
👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
# প্রকাশকালঃ ০৭/০২/১৮৭৭
# কার্যকর ঃ ০১/০৫/১৮৭৭
# প্রণেতাঃ স্যার গোয়াইট লিষ্ট টোকেন্স
# এতে ৩টি খন্ড, ১০টি অধ্যায় এবং ৫৭টি ধারা রয়েছে।
# বাতিল ধারাঃ ৮টি (২, ৪৫-৫১)
# উৎপত্তিঃ ইকুইটি আইন হতে।
# সর্বশেষ সংশোধনঃ ২০০৪ সালের ২৭নং আইন দ্বারা।
# সংশোধন কার্যকর হয়ঃ ০১/০৭/২০০৫সালে।
ধারা-1ঃ সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, আওতা এবং আরম্ভ।
ধারা-2ঃ বাতিল (এর পরিবর্তে ২১ (ক) ধারা সংযোজন করা হয়)
ধারা-3ঃ সংজ্ঞা (ব্যাখ্যা, বাধ্যবধাকতা), জিম্মা ও জিম্মাদার
ধারা-4ঃ সংরক্ষণ
ধারা-5ঃ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ভাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে।
১) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তি দখল গ্রহণ ও অর্পনের মাধ্যমে। (ধারা 8-11)
২) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মাধ্যমে (ধারাঃ 12-30)
৩) নিরোধক মূলক প্রতিকার (ধারাঃ 6, 52-54, 57)
৪) পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় ও ঘোষণামূলক ডিক্রির মাধ্যমে (ধারাঃ 31-43)
৫) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে (ধারাঃ 44)
👉 ৩য় ক্লাস
বিষয়: চুক্তি আইন
শিক্ষক: আরিফ স্যার
👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
বাংলাদেশের বিভিন্ন আইন যা আমরা পড়েছি সেই সকল আইনের নাম, বিষয়বস্তু এবং সাল আলোচনা করেছেন।
আগামী ক্লাসে চুক্তি আইনের যে পর্যন্ত আগে পড়িয়েছেন সেগুলো দেখে আসতে বলেছেন। ক্লাসে কুইজ আকারে পড়া ধরবেন।
👉 ৪র্থ ক্লাস
বিষয়: ইকুইটি
শিক্ষক: শাম্মী ম্যাম
👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
# ইকুইটি বা ন্যায়পরতা কাকে বলে?
# ইকুইটির উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ আলোচনা কর।
# ইকুইটির ম্যাগজিম কয়টি ও কিকি?
আজকে ক্লাসে পুনরায় ইকুইটির ১২টি ম্যাগজিম সকলকে লিখাইছেন। আর ইকুইটির উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ নিয়ে আলোচনা করেছেন। আগামী ক্লাসে ইকুইটির ম্যাগজিমগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন।
ইকুইটির ১২টি নীতিমালা বা ম্যাক্সিম সমূহ:
১। ন্যায়পরায়নতা প্রতিকারবিহীন অবস্থায় কোন অন্যায়কে অব্যহতি দিবে না।
২। ন্যায়পরায়নতা আইনকে অনুসরন করে
৩। ন্যায়পরায়নতা বিচার প্রার্থীকে অবশ্যই ন্যায়পরায়ন হতে হবে।
৪। ন্যায়পরায়নতা প্রার্থীকে অবশ্যই পরিস্কার হাতে আবেদন করতে হবে।
৫। বিলম্ব ন্যায়পরায়নতাকে ব্যর্থ করে।
৬। সমতাই ন্যায়পরায়নতা।
৭। বাহ্যিক আকৃতি অপেক্ষা ন্যায়পরায়নতা উদ্দেশ্যকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে।
৮। যাহা করা উচিত ছিল, তাহা করা হইয়াছে বলিয়া ন্যায়পরায়নতা মনে করে।
৯। দায়িত্ব পালনের ইচ্ছা আছে বলিয়াই ন্যায়পরায়নতা মনে করে।
১০। ন্যায়পরায়নতা ব্যক্তিকেন্দ্রিক কাজ করে।
১১। যেক্ষেত্রে ন্যায়পরায়নতা দাবি উভয়ের ক্ষেত্রে সমান সেক্ষেত্রে সময়ের দিক দিয়ে অগ্রাধিকার প্রাধান্য পাইবে।
১২। ন্যায়পরায়নতার ক্ষেত্রে সমতা যেখানে বিদ্যমান সেখানে আইন প্রবল।
পয়েন্ট সমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
(আল-আমিন স্যার কলেজেই ছিলেন, কিন্তু বারকাউন্সিলের পরীক্ষার জন্য পরীক্ষার্থীদের ক্লাস নিয়েছেন। তাই আজকে ১১.১৫ তেই আমাদের ছুটি হয়ে গিয়েছে।

