১০/০৫/২০২৫ইং ক্লাস (শনিবার)

Rony Hossain

 


১০/০৫/২০২৫ইং (শনিবারক্লাসের সংক্ষিপ্ত বিবরণী:

👉 ১ম ক্লাস
বিষয়: শ্রম আইন
শিক্ষক: আকরাম স্যার

 👇 আলোচনার বিষয় বস্তু

# মজুরী ও উহার পরিশোধ  (ধারা-১২০ হতে ১২১)

মজুরী ও উহার পরিশোধ (দশম অধ্যায়)
ধারা-১২০: মজুরীর বিশেষ সংজ্ঞা
ধারা-১২১: মজুরী পরিশোধের দায়িত্ব



 👉  ক্লাস

বিষয়: হিন্দু আইন
শিক্ষকআরিফ স্যার

 👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
# হিন্দু আইনে বিয়ে কি?
# হিন্দু বিবাহের প্রকারভেদ।
# হিন্দু বৈধ বিবাহের উপাদান
# হিন্দু বিবাহের ফলাফল

বিয়ে কি: শুধু চুক্তি নয় বরং পরিশুদ্ধির এক ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা।

হিন্দু বিবাহের প্রকারভেদ: ২ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ
১। অনুমোদিত (৪ প্রকার, যথা
ক) ব্রাহ্ম বিবাহ
খ) দৈব বিবাহ
গ) অর্শ বিবাহ
ঘ) প্রজাপতি বিবাহ)


২। অনঅনুমোদিত (৪ প্রকার, যথা
ক) গান্ধর্ব বিবাহ
খ) অসুর বিবাহ
গ) রাক্ষস বিবাহ
ঘ) পৈশাচ
 বিবাহ)


# অনুমোদিত ৪ প্রকারের বিয়ে হল- ক) ব্রাহ্ম বিবাহ: বেদে যার ভাল জ্ঞান আছে এমন সচ্চরিত্র ব্যক্তি কে আমন্ত্রণ করে এনে উপকৌধন সহ কন্যা সম্প্রদান করা হত। প্রথমে এই বিয়ে ব্রাহ্মণ সমাজে প্রচলিত থাকলেও পরে সকল বর্নের হিন্দু এই বিয়ে প্রথা অনুসরণ করা শুরু করেছে এবং এটাই এখন হিন্দু সমাজে প্রচলিত।
খ) দৈব: এরূপ বিবাহে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নিযুক্ত পুরোহিত কে গুরু দক্ষিনার পরিবর্তে কন্যা সম্প্রদান করা হত। এই বিয়ের প্রচলন এখন আর নেই।
গ) অর্শ বিবাহ: কন্যার পিতাকে ধর্মীয় কাজে ব্যবহার করার জন্য এক জোড়া গো-মহিষ দিয়ে পাত্র কন্যাকে পত্নীরূপে গ্রহন করতো।
ঘ) প্রজাপতি বিবাহ: এই বিবাহে অবিবাহিত পাত্র কন্যার পিতার নিকট তার কন্যা কে বিয়ে করার অনুমতি প্রার্থনা করতো।


# অননুমোদিত বিবাহ:
ক) গান্ধর্ব বিবাহ: বর কনের মনের মিলনের ফলে অনুষ্ঠিত হয় বিয়েটি। বর্তমান যুগের Love Marriage এর মতই। এই বিয়েতে যুবক যুবতী তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী একে অপরকে স্বামী- স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করে। বর্তমানে বিয়েটির কোন প্রচলন নেই এবং এটি একটি নিন্দনীয় বিয়ে। উহাহরণ সরূপ বলা যায়: আকাশ বাতাস স্বাক্ষী রেখে বিবাহ।
খ) অসুর বিবাহ: এই বিয়েতে কনের পিতা পাত্র পক্ষের নিকট পণ বা মূল্য দাবি করতো, পাত্রপক্ষ পণ/মূল্য দিতে সক্ষম বা সম্মত হলেই বিয়ে হত।
গ) রাক্ষস বিবাহ: কুমারী কন্যা কে জোরপূর্বক ছিনিয়ে/অপহরণ করে নিয়ে বিয়ে করাকে রাক্ষক বিবাহ বলে।

ঘ) পৈশাচ বিবাহ: কুমারী কন্যা কে যদি কোন ব্যক্তি ঘুমন্তঅবস্থায় বা অচেতন অবস্থায় ধর্ষণ করতো তবে সে ব্যক্তি তার স্বামী হতে পারতো।

এছাড়াও আরও ২ ধরনের বিবাহ হিন্দু সমাজে প্রচলিত ছিল। যথা:
১। অনুলোম বিবাহ: অনুলোম বিবাহ হল এমন একটি বিবাহ যেখানে একজন উচ্চবর্ণের পুরুষ একজন নিম্নবর্ণের মহিলাকে বিয়ে করে। প্রাচীন হিন্দু সমাজে এই ধরনের বিবাহকে স্বীকৃতি দেওয়া হত, যদিও এটি আদর্শ বিবাহ হিসেবে বিবেচিত হত না।

২। প্রতিলোম বিবাহ: উচ্চ জাতির মেয়ের সঙ্গে নিম্ন জাতির ছেলের বিয়ে যাকে প্রতিলোম বলা হয়, সেটা হিন্দু ধর্মে অনুমোদিত ছিল না। এই কারণে নিম্ন জাতির অনেকেই তাঁদের মেয়ের বিয়ে উচ্চ জাতির ছেলেদের সঙ্গে দেওয়া সুরু করেন ।



# বৈধ বিবাহের অপরিহার্য উপাদান

হিন্দু আইনের বিধান মোতাবেক একটি বৈধ বিবাহের নিম্নলিখিত উপাদানগুলো থাকা অপরিহার্য:

  • (১) বয়স: পক্ষদ্বয়ের বয়স অর্থাৎ বর এবং কনেকে অবশ্যই বিবাহযোগ্য বয়সের অধিকারী হতে হবে। 
  • (২) সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের সম্মতি: একট বৈধ বিবাহ সম্পন্ন হতে গেলে বর এবং কনের অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিবাহে সম্মতি থাকতে হবে।
  • (৩) বিধিসঙ্গত পদ্ধতি: হিন্দু বিবাহ অবশ্যই হিন্দু আইনে অনুমোদিত যে চারটি পদ্ধতি আছে, উহাদের মধ্যে যেকোন একটি পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে।
  • (৪) স্বামী-স্ত্রীর বর্ণ: বিবাহে বর এবং কনেকে একই বর্ণের হতে হয়। তবে বর্ণ এক এবং উপসম্প্রদায় ভিন্ন হলে বিবাহ অবৈধ বলে গণ্য হবে না।
  • (৫) নিষিদ্ধ সম্পর্ক বহির্ভূত: বিবাহের পক্ষগণকে অবশ্যই নিষিদ্ধ সম্পর্ক বহির্ভুত হতে হবে। অর্থাৎ, বর এবং কনের মধ্যে হিন্দু আইনে উল্লিখিত নিষিদ্ধ সম্পর্ক বজার থাকলে উক্ত বিবাহ বন্ধন বৈধ বলে গণ্য হবে না। যেমন- কোন পুরুষ তার একই পূর্বপুরুষান্তর্গত কোন মেয়েকে বিয়ে করতে পারে না।
  • (৬) একাধিক স্বামী: স্বামী জীবিত থাকাকালীন অবস্থায় অর্থাৎ এক বিবাহ বলবৎ থাকাকালে কোন স্ত্রী অন্য কারও সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না। তাই এর অন্যথা ঘটলে উক্ত বিবাহ বৈধ হবে না।
  • (৭) শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা: বৈধ বিবাহের ক্ষেত্রে বর এবং কনেকে অবশ্যই শারীরিক ও মানসিক সুস্থ হতে হবে।
  • (৮) অভিভাবকের সম্মতি: বৈধ বিবাহে অভিভাবকের সম্মতি প্রয়োজন। মেয়ের বিবাহে পিতার সম্মতি দরকার। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে মেয়ের মা সম্মতি দিতে পারবে।
  • (৯) আনুষ্ঠানিকতা: বৈধ বিবাহের ক্ষেত্রে কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালন করা অপরিহার্য:


#হিন্দু বিবাহের ফলাফল:
১। একত্রে বসবাস
২। অভিভাবকের অধিকার
৩। ভরণ পোষনের অধিকার
৪। মামলা করার অধিকার
৫। বৈধ সন্তান লাভের অধিকার
৬। উত্তরাধিকারের অধিকার




👉 ৩য় ক্লাস: 
বিষয়আয়কর আইন (পড়িয়েছেন বিষয়ের বাহিরে)
শিক্ষকবুলবুল স্যার


👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:

# পৃথিবীর সকল সংবিধান তাদের জাতী, ধর্ম, বর্ণ ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
এই একটি টপিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।



 👉 ৪র্থ ক্লাস
বিষয়: মুসলিম আইন
শিক্ষক: মুফতি আল-আমিন স্যার

 👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:

# জাবুল ফুরুজ বা কোরানিক শেয়ারার নিয়ে আলোচনা করেছেন।

আপনাদের সুবিধার্থে সূত্রগুলো নিচে আবার দিলাম:

 # জাবুল ফুরুজ বা কোরানিক শেয়ারার ১২ জন

১। মৃত ব্যক্তির স্বামী 

  • সন্তান থাকলে / অংশ
  • সন্তান না থাকলে / অংশ

২। মৃত ব্যক্তির স্ত্রী

  • সন্তান থাকলে / অংশ
  • সন্তান না থাকলে / অংশ

৩। মৃত ব্যক্তির মা

  • মৃত ব্যক্তির সন্তান বা ভাই বোন - জন থাকলে মা পাবে / অংশ
  • সন্তান যদি না থাকেভাই-বোন ১জন  থাকলে মা পাবে / অংশ
  • আর যদি মৃত ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী থাকে এবং মা-বাবা থাকে তাহলে স্বামী বা স্ত্রীকে দেওয়ার পর বাকী সম্পত্তির / অংশ পাবে মা। 

৪। মৃত ব্যক্তির বাবা

  • ছেলেছেলের ছেলে থাকলে বাবা পাবে / অংশ
  • মেয়ে এবং ছেলের মেয়ে থাকলে এবং ছেলেছেলের ছেলে না থাকলে বাবা পাবে / অংশঅবশিষ্ট।
  • ছেলের মেয়ে বা অন্য ওয়ারিশ না থাকলে সম্পূর্ণ অংশ বাবা পাবে।

৫। মৃত ব্যক্তির মেয়ে

  • মৃত ব্যক্তির মেয়ে ১জন থাকলে মেয়ে পাবে / অংশ
  • মেয়ে  বা ততোধিক থাকলে পাবে / অংশ
  • সাথে ছেলে থাকলে ২টাকা১টাকা হিসেবে পাবে। 

৬। মৃত ব্যক্তির ছেলের মেয়ে

  • মৃত ব্যক্তির ছেলের মেয়ে ১জন থাকলে পাবে / অংশ
  • মেয়ে  বা ততোধিক থাকলে পাবে / অংশ
  • নিজের মেয়ে ১জন থাকলে ছেলের মেয়ে পাবে / অংশ
  • মৃতব্যক্তির নিজের মেয়ে েএকাধিক থাকলে ছেলের মেয়ে বঞ্চিত। 
  • তবে তার সাথে যদি তার ভাই থাকে তবেছেলে থাকলে ২টাকা১টাকা হিসেবে পাবে। 

৭। মৃত ব্যক্তির আপন বোন

  • মৃত ব্যক্তির আপন বোন ১জন থাকলে পাবে / অংশ
  • মৃত ব্যক্তির বোন  বা ততোধিক থাকলে পাবে / অংশ
  • নিজের মেয়ে ১জন থাকলে ছেলের মেয়ে পাবে / অংশ
  • মৃতব্যক্তির নিজের মেয়ে বা ছেলের মেয়ে ১জন থাকলে আপন বোন / অংশ পাবে।
  • মৃতব্যক্তির মেয়ে বা ছেলের মেয়ে একাধিক হলে আপন বোন পাবে নাতবে অন্য ওয়ারিশ না থাকলে পাবে।
  • আপন বোনের সাথে আপন ভাই থাকে তবে২টাকা১টাকা হিসেবে পাবে। 
  • দাদাবাবাছেলেছেলের ছেলে থাকলে আপন বোন বঞ্চিত হবে।

৮। মৃত ব্যক্তির মা শরীক ভাই

  • ১জন থাকলে পাবে / অংশ
  •  বা ততোধিক থাকলে পাবে / অংশ

৯। মৃত ব্যক্তির মা শরীক বোন

  • ১জন থাকলে পাবে / অংশ
  •  বা ততোধিক থাকলে পাবে / অংশ

১০। মৃত ব্যক্তির বাপ শরীক বোন

  • মৃত ব্যক্তির আপন বোন না থাকলে এবং বাপ শরীক বোন ১জন থাকলে পাবে / অংশ
  • মৃত ব্যক্তির আপন বোন না থাকলে এবং বাপ শরীক বোন  বা ততোধিক থাকলে পাবে / অংশ
  • আপন বোন ১জন থাকলে বাপ শরীক বোন পাবে / অংশ
  • আপন বোন একাধিক থাকলে বাপ শরীক বোন বঞ্চিত। তবেসাথে ভাই থাকলে ২টাকা১টাকা হিসেবে পাবে।
  • মৃত ব্যক্তির নিজের মেয়েছেলে মেয়ে থাকলে তারা নেওয়ার পর অন্য ওয়ারিশ না থাকলে অবশিষ্ট সম্পত্তি বাপ শরীক বোন পাবে।
  • দাদাবাবাছেলেছেলের ছেলে থাকলে আপন বোন বঞ্চিত হবে।

১১। মৃত ব্যক্তির দাদা

  • মৃত ব্যক্তির বাবা না থাকলে মৃত ব্যক্তির দাদা বাবার অংশ পাবে। 
  • মৃত ব্যক্তির বাবা জীবিত থাকলে মৃতব্যক্তির দাদা বঞ্চিত হবে।

১২। মৃত ব্যক্তির নানীদাদী (যৌথ)

  • মৃত ব্যক্তির দাদীনানী  এক বা একাধিক যাই থাকুক না কেন সবাই মিলে / অংশ পাবে।
  • মৃত ব্যক্তির মা থাকলে দাদিনানী বঞ্চিত হবে।
  • মৃত ব্যক্তির বাবা থাকলে দাদি বঞ্চিত হবেতবে নানী / অংশ পাবে।