২০/০৯/২০২৪ইং ক্লাস (শুক্রবার)

Rony Hossain

 

২০/০৯/২০২৪ইং (শুক্রবার) ক্লাসের সংক্ষিপ্ত বিবরণী:

👉 ১ম ক্লাস
বিষয়: হিন্দু আইন
শিক্ষক: জগদীশ স্যার

 

👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:

হিন্দু আইনের উৎস সমূহ:
ক। আনুষ্ঠানিক উৎস
খ। ব্যবহারিক উৎস

ক। আনুষ্ঠানিক উৎস সমূহ:
১। শ্রুতি
২। স্মৃতি
৩। বেদ (কর্মকান্ড ও জ্ঞানকান্ড)
৪। পুরান (পুরাতন রাজা-বাদশাহদের জ্ঞানমূলক কাহিনী)
৫। উপনিষদ (বেদের বিভিন্ন অংশ, ১০৮টি রয়েছে)
৬। সংহিতা (সকল মন্ত্র যেখান সংগৃহীত)
৭। ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
৮। প্রথা
৯। ফ্যাকটাম ভ্যালেট (যাহা বারণ করা হয়েছে না করার জন্য, কিন্তু করলে মেনে নিতে বলা হয়েছে)

 

খ ব্যবহারিক উৎসসমূহ:
১। আদালতের সিদ্ধান্ত
২। বিধিবদ্ধ আইন
৩। সুবিচার
৪। ন্যায়পরায়নতা
৫। ব্যক্তি নির্ভর আইন
৬। বংশ বিস্তারের মাধ্যমে
৭। গুরু শিষ্যের মাধ্যমে
৮। শিক্ষদীক্ষা ও ধর্মান্তরিত হওয়ার মাধ্যমে (রাষ্ট্রীয় ১৯৭২ সালের ৩ নং আইনে - Special Mirage act) এই কথা বলা আছে।

 

দায়ভাগ মতবাদের প্রবর্তক হলেন জীমূত বাহন

জানা প্রয়োজন যে,  দায়ভাগ হিন্দুদের উত্তরাধিকার সংক্রান্ত আইনগ্রন্থ। খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতকে জীমূতবাহন এটি রচনা করেন। স্মৃতিশাস্ত্রের বিষয়কে প্রধান যে-তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে, তার মধ্যে একটি হলো ব্যবহার বা আইন। এ ব্যবহার অংশে বর্ণিত দায় অর্থাৎ সম্পদের উত্তরাধিকার বিষয় নিয়েই দায়ভাগ রচিত।

অহম অর্থ শান্তি,  এই মতবাদে ধর্মীয় রীতিনীতি উল্লেখ রয়েছে। বাংলাদেশের হিন্দুরা দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে চলে।

 

👉 ২য় ক্লাস
বিষয়: সংবিধান
শিক্ষক: শরীফ স্যার

 

👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:

 

রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (সংবিধানের ২য় ভাগ)
সংবিধানের ৮ হতে ১৪ নং অনুচ্ছেদ।

 

 

👉 ৩য় ক্লাস
বিষয়: ইকুইটি আইন
শিক্ষক: শাম্মী ম্যাম

 

👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
ইকুইটির ১২টি নীতিমালা বা ম্যাক্সিম সমূহ:

১। ন্যায়পরায়নতা প্রতিকারবিহীন অবস্থায় কোন অন্যায়কে অব্যহতি দিবে না।
২। ন্যায়পরায়নতা আইনকে অনুসরন করে
৩। ন্যায়পরায়নতা বিচার প্রার্থীকে অবশ্যই ন্যায়পরায়ন হতে হবে।
৪। ন্যায়পরায়নতা প্রার্থীকে অবশ্যই পরিস্কার হাতে আবেদন করতে হবে।
৫। বিলম্ব ন্যায়পরায়নতাকে ব্যর্থ করে।
৬। সমতাই ন্যায়পরায়নতা।
৭। বাহ্যিক আকৃতি অপেক্ষা ন্যায়পরায়নতা উদ্দেশ্যকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে।
৮। যাহা করা উচিত ছিল, তাহা করা হইয়াছে বলিয়া ন্যায়পরায়নতা মনে করে।
৯। দায়িত্ব পালনের ইচ্ছা আছে বলিয়াই ন্যায়পরায়নতা মনে করে।
১০। ন্যায়পরায়নতা ব্যক্তিকেন্দ্রিক কাজ করে।
১১। যেক্ষেত্রে ন্যায়পরায়নতা দাবি উভয়ের ক্ষেত্রে সমান সেক্ষেত্রে সময়ের দিক দিয়ে অগ্রাধিকার প্রাধান্য পাইবে।
১২। ন্যায়পরায়নতার ক্ষেত্রে সমতা যেখানে বিদ্যমান সেখানে আইন প্রবল।

পয়েন্ট সমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

 

👉 ৪র্থ ক্লাস
বিষয়: আয়কর আইন
শিক্ষক: বুলবুল স্যার

 

👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:

আয়কর আইনের ৪র্থ সীট, যা উপরে শেয়ার করা হয়েছে। ৪র্থ সীটটি পুরোপুটি কমপ্লিট হয়েছে। শনিবার সম্ভবত ৫ম সীট পড়ানো হবে।