২১/০৯/২০২৪ইং (শনিবার) ক্লাসের সংক্ষিপ্ত বিবরণী:
👉 ১ম
ক্লাস
বিষয়: শ্রম আইন
শিক্ষক: আকরাম স্যার
👇 আলোচনার
বিষয় বস্তু:
ধারা : ১৮ - “কতিপয় ক্ষেত্রে লে-অফকৃত শ্রমিকগণ ক্ষতিপূরণ
পাইবার অধিকারী হইবেন না”
ধারা : ১৯ - “মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ”
ধারা : ২০ - “ছাঁটাই”
সকলেই বিস্তারিত দেখে নিবেন নিজ দায়িত্বে। এতোগুলো ধারা এখানে
বিস্তারিতভাবে লিখলে পোষ্টটি অনেক বড় হয়ে যাবে।
👉 ২য়
ক্লাস
বিষয়: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
শিক্ষক: আরিফ স্যার
👇 আলোচনার
বিষয় বস্তু:
ধারা : ১৩ - চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিক বিকৃত বা ক্ষতিগ্রস্থ
হলে ধারা ৫৬ এর বিপরীতে গিয়ে আংশিক চুক্তি বাস্তবায়ন সম্ভব।
ধারা : ১৪ - কোন চুক্তির বড় অংশ বাস্তবায়নযোগ্য হলে চুক্তিটি
বাস্তবায়নযোগ্য হবে, এক্ষেত্রে উভয়পক্ষই মামলা করতে পারবে, কিন্তু সেক্ষেত্রে বিক্রেতা
অবশ্যই ক্রেতাকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে।
ধারা : ১৫ - কোন চুক্তির ছোট অংশ বাস্তবায়নযোগ্য হলে চুক্তিটির
বাস্তবায়ন ক্রেতার সম্মতির উপর নির্ভর করে। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্রেতা মামলা করতে
পারবে, কিন্তু সেক্ষেত্রে ক্রেতাকে অবশ্যই
ক্রেতাকে ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তির আশা ত্যাগ করতে হবে।
ধারা : ১৬ - যখন কোন চুক্তির একটি বিষয়বস্তু অন্য একটি বিষয়বস্তু
হতে সম্পূর্ণ সতন্ত্র বা স্বাধীন হলে এর যে কোন অংশ বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এক্ষেত্রে
উভয়পক্ষই মামলা করতে পারবে।
ধারা : ১৭ - সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কেবলমাত্র ১৪, ১৫
এবং ১৬ নং ধারা ব্যতিত অন্য কোন ক্ষেত্রে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।
এই ধারাগুলো বইতে আরও বড় ভাবে দেওয়া, সকলের বোঝার সুবির্ধার্থে
এখানে সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরলাম।
👉 ৩য়
ক্লাস
বিষয়: ইসলামিক আইন
শিক্ষক: মুফতি আল-আমিন স্যার
👇 আলোচনার
বিষয় বস্তু:
সুন্নী উত্তরাধীকার আইন
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টননীতি:
মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পদ নিচের ক্রমানুসারে বন্টন হবে।
১। কাফন-দাফন
২। ঋণ পরিশোধ
৩। অসিয়ত, ১/৩ সম্পত্তি থেকে
৪। উত্তরাধীকার সনদ উত্তোলন খরচ (যেমন: খাজনা-খারিজ ও অন্যান্য খরচ)
৫। উত্তরাধীকারীদের মধ্যে বন্টন।
উত্তরাধীকারী কারা?
১। জাবুল ফুরুজ বা কোরানিক শেয়ারার বা অংশীদার (পবিত্র কোরআনো যাদের কথা ঘোষণা করা
হয়েছে)
২। জাবুল আসাবাত বা অবশিষ্ট ভোগী
৩। জাবুল আরহাম বা দূরবর্তী আত্নীয়
(এভাবে ৪,৫,৬ এবং ৭ নং পর্যন্ত রয়েছে, কিন্তু সম্পদ বন্টনের
ক্ষেত্রে ৩নং এর পরে আর উত্তরাধীকারীর প্রয়োজন হয় না।)
বি.দ্র:

