১৩/০৯/২০২৪ইং (শুক্রবার) ক্লাসের সংক্ষিপ্ত বিবরণী:
👉 ১ম ক্লাস
বিষয়: হিন্দু আইন
শিক্ষক: জগদীশ স্যার
👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
হিন্দু আইনের উৎস সমূহ:
ক। আনুষ্ঠানিক উৎস
খ। ব্যবহারিক উৎস
ক। আনুষ্ঠানিক উৎস সমূহ:
১। শ্রুতি
২। স্মৃতি
৩। বেদ (কর্মকান্ড ও জ্ঞানকান্ড)
৪। পুরান (পুরাতন রাজা-বাদশাহদের জ্ঞানমূলক কাহিনী)
৫। উপনিষদ (বেদের বিভিন্ন অংশ, ১০৮টি রয়েছে)
৬। সংহিতা (সকল মন্ত্র যেখান সংগৃহীত)
৭। ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
৮। প্রথা
৯। ফ্যাকটাম ভ্যালেট (যাহা বারণ করা হয়েছে না করার জন্য, কিন্তু করলে মেনে
নিতে বলা হয়েছে)
খ ব্যবহারিক উৎসসমূহ:
১। আদালতের সিদ্ধান্ত
২। বিধিবদ্ধ আইন
৩। সুবিচার
৪। ন্যায়পরায়নতা
৫। ব্যক্তি নির্ভর আইন
৬। বংশ বিস্তারের মাধ্যমে
৭। গুরু শিষ্যের মাধ্যমে
৮। শিক্ষদীক্ষা ও ধর্মান্তরিত হওয়ার মাধ্যমে (রাষ্ট্রীয় ১৯৭২ সালের ৩ নং
আইনে - Special Mirage act) এই কথা বলা আছে।
এছাড়া ফ্যাকটাম ভ্যালেট এর একটি শীট দিয়েছেন স্যার, যা বোরহান ভাই গ্রুপে
দিয়ে দিয়েছেন।
👉 ২য় ক্লাস
বিষয়: সংবিধান
শিক্ষক: শরীফ স্যার
👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
সংবিধানের ৫-৭ অনুচ্ছেদ।
👉 ৩য় ক্লাস
বিষয়: সুর্নিদিষ্ট প্রতিকার আইন
শিক্ষক: আরিফ স্যার
বি.দ্র: আল-আমিন স্যার না আসায় আরিফ স্যার ক্লাস নিয়েছেন।
👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
ধারা : ২১ ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তিসমূহ
সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করার যোগ্য নয়। যথাঃ
১। আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার সম্ভব হলে।
২। কোন চুক্তি ব্যক্তিগত যোগ্যতা অথবা সংকল্পের উপর নির্ভরশীল হলে।
৩। চুক্তির শর্তাবলী আদালত যুক্তিসংঙ্গতভাবে নির্ণয় করতে না পারলে।
৪। যে চুক্তি তার প্রকৃতির কারণেই বাতিলযোগ্য।
৫। জিম্মাদার কর্তৃক কৃতচুক্তি যা তাদের ক্ষমতা লংঘন করে করা হয়েছে।
৬। কোম্পানীর পক্ষে উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কর্তৃক কৃত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতার
অতিরিক্ত বা বহির্ভূত।
৭। যে চুক্তির মেয়াদ ৩ বৎসরের বেশি।
৮। যে চুক্তির বিষয়বস্তু চুক্তি স্বাক্ষরিত হবার আগেই বিলুপ্তি ঘটেছে।
👉 ৪র্থ ক্লাস
বিষয়: ইকুইটি আইন
শিক্ষক: শাম্মী ম্যাম
👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
ইকুইটির ১২টি নীতিমালা বা ম্যাক্সিম সমূহ:
১। ন্যায়পরায়নতা প্রতিকারবিহীন অবস্থায় কোন অন্যায়কে অব্যহতি দিবে না।
২। ন্যায়পরায়নতা আইনকে অনুসরন করে
৩। ন্যায়পরায়নতা বিচার প্রার্থীকে অবশ্যই ন্যায়পরায়ন হতে হবে।
৪। ন্যায়পরায়নতা প্রার্থীকে অবশ্যই পরিস্কার হাতে আবেদন করতে হবে।
৫। বিলম্ব ন্যায়পরায়নতাকে ব্যর্থ করে।
৬। সমতাই ন্যায়পরায়নতা।
৭। বাহ্যিক আকৃতি অপেক্ষা ন্যায়পরায়নতা উদ্দেশ্যকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে।
৮। যাহা করা উচিত ছিল, তাহা করা হইয়াছে বলিয়া ন্যায়পরায়নতা মনে করে।
৯। দায়িত্ব পালনের ইচ্ছা আছে বলিয়াই ন্যায়পরায়নতা মনে করে।
১০। ন্যায়পরায়নতা ব্যক্তিকেন্দ্রিক কাজ করে।
১১। যেক্ষেত্রে ন্যায়পরায়নতা দাবি উভয়ের ক্ষেত্রে সমান সেক্ষেত্রে সময়ের
দিক দিয়ে অগ্রাধিকার প্রাধান্য পাইবে।
১২। ন্যায়পরায়নতার ক্ষেত্রে সমতা যেখানে বিদ্যমান সেখানে আইন প্রবল।
কিছু পয়েন্ট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। বাকীগুলো আগামী ক্লাসে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। এছাড়া বার কাউন্সিল সর্ম্পকিত কিছু তথ্য দিয়েছেন এবং প্রাসঙ্গিক আলোচনা করেছেন।

