০১/০৮/২০২৫ইং (শুক্রবার) ক্লাস

Rony Hossain

 


০১/০৮/২০২৫ইং (শুক্রবারক্লাসের সংক্ষিপ্ত বিবরণী:

👉 ১ম ক্লাস
বিষয়বৃটিশ সংবিধান
শিক্ষক: শ্রাবণী ম্যাম

 👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:

# বৃটিশ সংবিধানের বৈশিষ্ট্য।
# বৃটিশ সংবিধানের সুবিধা-অসুবিধা।



👉 ২য় ক্লাস
বিষয়সংবিধান
শিক্ষকশরীফ স্যার

 👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:

# অনুচ্ছেদ ১১৮ : নির্বাচন কমিশন
# অনুচ্ছেদ ১৪১ (ক) : জরুরী অবস্থা




👉 ৩য় ক্লাস
বিষয়:   ট্রাস্ট আইন
শিক্ষক: শাম্মী ম্যাম

 👇 আলোচনার বিষয় বস্তু: 

# বৈধ  ট্রাস্টের উপাদানগুলো কি কি?
# কখন কিভাবে একটি ট্রাষ্ট বাতিল বা বিলুপ্ত করা যায়?
# মৌখিকভাবে কি ট্রাস্ট সৃষ্টি করা যায়?
# বিভিন্ন শ্রেণীর ট্রাস্টের বর্ণনা দাও। 

✅ ট্রাস্ট এর বৈধ উপাদান সমূহ:

১। তিনটি পক্ষ থাকবে- যথা: ক)ট্রাস্টকারী, খ) ট্রাস্টী, গ) লাভভোগী 
২। ট্রাস্টীর যোগ্যতা: যিনি সম্পত্তি ধারণ কারতে পারেন তিনিই ট্রাস্টি হবেন।
৩। লাভভোগীর যোগ্যতা: যে ব্যক্তি ট্রাস্ট ধারণ করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনিই লাভভোগী হবেন। এই নিয়ম অনুযায়ী একজন নাবালক এমনকি একজন অজাত ব্যক্তিও লাভভোগী হতে পারে।
৪। ট্রাস্টকারীর যোগ্যতা: যে ব্যক্তির চুক্তি করার যোগ্যতা আছে তিনিই ট্রাস্টি হতে পারবেন। আর জেলা জজের সম্মতিতে একজন নাবালকও ট্রাস্টকারী হতে পারবে।
৫। বৈধ উদ্দেশ্য: ট্রাস্টের উদ্দেশ্য অবশ্যই বৈধ হতে হবে। কোন অবৈধ উদ্দেশ্য থাকলে ট্রাস্টটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
৬। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিতা: উইলের মাধ্যমে বা দলিলের মাধ্যমে বা মৌখিক ঘোষনা যে পদ্ধতিতেই ট্রাস্ট গঠন করা হোক যার যার ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিতা পালন করতে হবে।
৭। বিষয়বস্তুর অস্তিত্ব: যে বস্তুটির উপর ট্রাস্ট কার্যকর হবে সে বস্তুটির অস্তিত্ব থাকতে হবে। 


কখন কিভাবে ট্রাস্ট বাতিল বা বিলুপ্ত করা যায়:

১। ট্রাস্ট টির উদ্দেশ্য পূর্ণ হলে।
২। ট্রাস্ট সম্পত্তি ধ্বংস হলে।
৩। প্রত্যাহার যোগ্য ট্রাস্ট হলে।
৪। ট্রাস্ট এর উদ্দেশ্য অবৈধ হলে। 


✅ বিভিন্ন প্রকার ট্রাস্ট:

১। ব্যক্তিগত ট্রাস্ট
২। প্রকাশিত ট্রাস্ট
৩। অপ্রকাশিত ট্রাস্ট
৪। সম্পদিত ট্রাস্ট
৫। সম্পাদিতব্য ট্রাস্ট
৬। দাতব্য ট্রাস্ট
৭। সাধারণ ট্রাস্ট
৮। ফলদায়ক ট্রাস্ট
৯। গঠনমূলক ট্রাস্ট




👉 ৪র্থ ক্লাস
বিষয়:   আইন বিজ্ঞান
শিক্ষক: আল-আমিন স্যার


 👇 আলোচনার বিষয় বস্তু: 
# অধিনস্ত আইনের সুবিধা-অসুবিধা 

✅ অধিনস্ত আইনের সুবিধা
১. জরুরী অবস্থা মোকাবিলা
২. দ্রুত আইন তৈরী
৩. সময়ের অপচয় রোধ
৪. অর্থের অপচয় রোধ
৫. নমনীয়তা
৬. আইন বিশারদ কর্তৃক আইন তৈরী

✅ অধিনস্ত আইনের অসুবিধা
১. জাতীয় সংসদের ক্ষমতা হ্রাস
২. জনগণের অধিকার হ্রাস
৩. শাসন বিভাগের স্বৈরতান্ত্রিকতা
৪. আমলাতান্ত্রিকতা বৃদ্ধি

(আগামী ক্লাসে অবহেলা পড়ানো হবে)




আস্থা শুধুই মেটলাইফ। বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ জীবন বীমাকারী প্রতিষ্ঠান।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন: 01680000006, 01789000006