২৫/০৭/২০২৫ইং (শুক্রবার) ক্লাসের সংক্ষিপ্ত বিবরণী:
বিষয়: ট্রাস্ট আইন
শিক্ষক: শাম্মী ম্যাম
👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
# ট্রাস্ট আইন কি? ট্রাস্ট আইনের সংজ্ঞা।
# ট্রাস্ট আইনের ক্রমবিকাশ।
# ট্রাস্ট এর পক্ষ কয়টি ও কি কি বা ট্রাস্টের উপাদানগুলো কি কি?
# ট্রাস্ট সৃষ্টির পদ্ধতিসমূহ।
✅ ট্রাস্ট আইন কি? ট্রাস্ট আইনের সংজ্ঞা:
ট্রাস্ট আইন ১৮৮২ সালের আইন। কোন ব্যক্তি তার নিজস্ব সম্পত্তি অন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কল্যানার্থে তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ করেন তাকেই ট্রাস্ট বলে । জিম্মাদার রুপে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি কোন সম্পত্তি (স্থাবর, অস্থাবর, ব্যক্তিগত) কতিপয় ব্যক্তির উপভোগের জন্য বা কোন বৈধ কাজ সম্পাদনের জন্য রক্ষণা-বেক্ষনের জন্য কতৃর্ত গ্রহন করলে তাকে ট্রাস্ট বলে। অর্থাৎ বলা যায় কোন ব্যক্তি যখন তার উপর অর্পিত কোন অধিকার অন্য পক্ষের ব্যবহারের জন্য বাধ্য হয় তখন উক্ত বাধ্য বাধকতাকে ট্রাস্ট বলে।
ট্রাস্ট হলো একটি আইনি ব্যবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তি (ট্রাস্টি) অন্য কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের (সুবিধাভোগী) সুবিধার জন্য সম্পত্তি বা সম্পদ ধারণ করে এবং পরিচালনা করে। সহজ ভাষায়, ট্রাস্ট হলো একটি আস্থার সম্পর্ক যেখানে একজন ট্রাস্টি, ট্রাস্টের শর্তাবলী অনুযায়ী, সুবিধাভোগীর স্বার্থে সম্পদ দেখাশোনা করে।
✅ ট্রাস্টের ক্রমবিকাশ:
ট্রাস্ট আইন ১৮৮২ সালের ইকুইটি আইন থেকে আধুনিক ট্রাস্টের উৎপত্তি। ক্রয়োদশ শতাব্দিতে রাজা প্রথম এডওয়ার্ডের রাজত্বকালে ইকুইটি আইনের ধারক-বাহক ছিলেন রাজকীয় আদালতের চ্যান্সেলরগণ। সেই সময় পাদ্রীগণ বা রোমাম ক্যাথেলিক চার্চের সন্যাসীগণ কোন ভূ-সম্পত্তির মালিক হতে পারতেন না। জনগণের দানের উপর তাদের ভরণ-পোষণ নির্ভর করত। জনগণ ব্রথ () নাম গোষ্ঠীকে সম্পত্তি দান করত এবং সেই সম্পত্তির আয় দিয়ে পাদ্রী এবং সন্যাসীদের জীবন পরিচালিত হত। উপরোক্ত ধর্মীয় কার্যকলাপের মাধ্যমে আধুনিক ট্রাস্ট সৃষ্টি হয়। কারণ আধুনিক ট্রাস্টের উপাদানের ৩টি পক্ষ। যথাঃ
১। ট্রাস্টকারী (যিনি ট্রাস্ট করেন)
২। ট্রাস্টী (যার উপর কার্য সম্পাদনের দায়িত্ব অর্পিত হয়)
৩। লাভভোগী বা ফলভোগী (যার সুবিধার জন্য ট্রাস্ট সৃষ্টি করা হয়)
উপরোক্ত ক্ষেত্রে জনগণ ট্রাস্টকারী হিসেবে কাজ করতেন আর ব্রথ নামক গোষ্টী ট্রাস্টী হিসিবে দায়িত্বপালন করতেন এবং পাদ্রী ও সন্ন্যাসীগণ সুবিধা ভোগ করতেন।
চতুর্দশ শতকের কথা, এসময় উপরোক্ত কার্যকলাপ ধর্মীয় প্রভাব থেকে মুক্ত হতে থাকে। ট্রাস্ট জাতীয় সম্পত্তি লেনদেন বিস্তত হতে থাকে। এক সময় উক্ত সম্পত্তির লেনদেন চ্যান্সেলর আদালতের অধীনে চলে আসে। চ্যান্সেলরগণ ইকুইটির মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে থাকেন। এটি জনগণের নিকট জনপ্রিয়তা লাভ করে। যার ফলে ট্রাস্ট আইন প্রসারিত হতে থাকে।
পঞ্চদশ শতকের কথা, এই আইনের জনপ্রিয়তা অনেকগুণে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু রাজা ও ভূস্বামীগণ স্বার্থ লঙ্ঘিত হওয়ায় তারা ট্রাস্ট জাতীয় লেনদেন সহজভাবে গ্রহণ করতে পারেনি। এই আইন বন্ধ করার অনেক চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। ভিন্ন কৌশলে এ জাতীয় লেনদেন চলতে থাকে। ভারতীয় উপমহাদেশে ট্রাষ্ট আইন পাশ হয় ১৮৮২ সালে । তবে এই আইন পাশ হওয়ার পূর্ব থেকে এই আইনের প্রচলন ছিল।
✅ ট্রাস্ট সৃষ্টির পদ্ধতি:
১। মৌখিক ঘোষণা দ্বারা
২। বাংলাদেশে মৌখিক ঘোষণা দ্বারা
৩। উইল দ্বারা
৪। দলিল দ্বারা
বিষয়: সংবিধান
শিক্ষক: শরীফ স্যার
👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
# অনুচ্ছেদ ১১১ : নজীর
# অনুচ্ছেদ ১১৮ : নির্বাচন কমিশন
শিক্ষক: আল-আমিন স্যার
# আইনগত ব্যাখ্যা বলতে কি বোঝায়?
# অধিনস্ত আইনের বিকাশ
# অধিনস্ত আইন নিয়ন্ত্রন পদ্ধতি
✅ আইনগত ব্যাখ্যাঃ
আইন যে ভাষা বা শব্দে প্রকাশ করা হয় সে ভাষা শব্দের মাধ্যমে আইনের অর্থ নির্ণয় করার প্রক্রিয়াই হল আইনগত ব্যাখ্যা।
✅ অধিনস্ত আইনের বিকাশ
১. দ্রুত আইন তৈরী করা যায়২. কৌশলগত আইন তৈরী
৩. সমস্যার দ্রুত সমাধান
৪. প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা
✅ অধিনস্ত আইন নিয়ন্ত্র পদ্ধতি
২. আদালত কর্তৃক
৩. জনগণ কর্তৃক
👉 ৪র্থ ক্লাস
বিষয়: এখনো ঠিক হয়নি
শিক্ষক: নতুন একজন শিক্ষক (নাম ভুলে গেছি)
👇 আলোচনার বিষয় বস্তু:
# নির্দিষ্ট কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি।
# উনার ব্যক্তিগত জীবন এবং অভিজ্ঞতা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
# সকলের সাথে পরিচিত হয়েছেন।
শিক্ষক: নতুন একজন শিক্ষক (নাম ভুলে গেছি)
# নির্দিষ্ট কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি।
# উনার ব্যক্তিগত জীবন এবং অভিজ্ঞতা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
# সকলের সাথে পরিচিত হয়েছেন।


